স্বাধীন তথ্যসেবা — সরকারি নয়
ই-পাসপোর্ট আবেদন নির্দেশিকা
এই সূত্রের নথি, অবস্থা এবং যে উদ্ধৃতিগুলো EkhonKi ব্যবহার করেছে।
বর্তমান সূত্রধরন: HTMLনমুনা তথ্য
⚠নমুনা তথ্য। এই পাতার ফি ও কাগজপত্র এখনো অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করা হয়নি — এগুলো উদাহরণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। চূড়ান্ত তথ্যের জন্য অফিসিয়াল সাইট দেখুন।
নথির তথ্য
প্রকাশক: ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর
সর্বশেষ দেখা: ৩১ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:০০
কার্যকর সময়: উল্লেখ নেই — চলমান/উল্লেখ নেই
অফিসিয়াল নথি খুলুন ↗
এই সূত্র থেকে ব্যবহৃত প্রমাণ
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর · সংগ্রহ ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:০০
“আবেদনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, অনলাইন আবেদন সামারি এবং ফি পরিশোধের প্রমাণ দাখিল করিতে হইবে। (নমুনা)”
নির্দেশিকা · অনুচ্ছেদ ৪.২ · কার্যকর তারিখ উল্লেখ নেই
অফিসিয়াল নথি দেখুন ↗
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর · সংগ্রহ ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:০০
“পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পাসপোর্ট দাখিল করিতে হইবে। (নমুনা)”
নির্দেশিকা · অনুচ্ছেদ ৫.১ · কার্যকর তারিখ উল্লেখ নেই
অফিসিয়াল নথি দেখুন ↗
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর · সংগ্রহ ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:০০
“অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ ও অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রযোজ্য। (নমুনা)”
নির্দেশিকা · অনুচ্ছেদ ৬.৩ · কার্যকর তারিখ উল্লেখ নেই
অফিসিয়াল নথি দেখুন ↗
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর · সংগ্রহ ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:০০
“হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) কপি সংযুক্ত করিতে হইবে। (নমুনা)”
নির্দেশিকা · অনুচ্ছেদ ৫.৪ · কার্যকর তারিখ উল্লেখ নেই
অফিসিয়াল নথি দেখুন ↗
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর · সংগ্রহ ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০:০০
“জাতীয় পরিচয়পত্রধারী বাংলাদেশি নাগরিকগণ ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন। (নমুনা)”
নির্দেশিকা · অনুচ্ছেদ ২.১ · কার্যকর তারিখ উল্লেখ নেই
অফিসিয়াল নথি দেখুন ↗
সব উৎসে ফিরুন · ভুল জানান